Dhaka 7:14 pm, Thursday, 10 September 2026
[gtranslate]
Title :
fa fa-square ঝিকুট ফাউন্ডেশন এসএসসি জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী সংবর্ধনা সম্পন্ন fa fa-square মির্জা ফখরুল ও রিজভীর জন্য শ্রীনগরে মিলাদ ও দোয়া fa fa-square সিরাজদিখানে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, র‍্যালি-আলোচনায় ঐক্যের আহ্বান fa fa-square সিরাজদিখানে পুকুরে ডুবে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীর মৃত্যু fa fa-square সিরাজদিখানে মামলা তুলে নিতে হুমকি, বাড়িঘর ভাঙচুর: আতঙ্কে পরিবার fa fa-square সিরাজদিখানে বিদ্যালয়ের পুকুর থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার fa fa-square সিরাজদিখানে ভিমরুলের কামড়ে ৪ বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু fa fa-square মুক্তিযুদ্ধের সম্মুখ সমরের স্থান সংরক্ষণে উদ্যোগের ঘোষণা: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন fa fa-square সিরাজদিখানে ৫টি গাঁজা গাছসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক fa fa-square সিরাজদিখানে পৃথক স্থান থেকে দুই মরদেহ উদ্ধার

পুষ্টি চাহিদা পূরণে প্রযুক্তি গ্রাম কর্মসূচি ভূমিকা রাখছে

  • Reporter Name
  • Update Time : 12:27:45 am, Wednesday, 19 March 2025
  • 209 Time View

অনলাইন ডেস্ক: বাহুবলে পরিবারের পুষ্টি চাহিদা পূরণে প্রযুক্তি গ্রাম কর্মসূচি বিরাট ভূমিকা রাখছে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে জেলার বাহুবল উপজেলার কামারগাঁও ও কচুয়াদি গ্রামে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সিলেট অঞ্চলের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রযুক্তি গ্রাম কর্মসূচি চালু হয়।
এরমধ্যে কামারগাঁও গ্রামের মো. তারেক মিয়া ও কচুয়াদি গ্রামের রিপন মিয়া, ইব্রাহিম মিয়া, সিরাজ মিয়া, কুতুব উদ্দিনের বাড়ির আঙ্গিনায় উপজেলার কৃষি অফিসের মাধ্যমে প্রথমে টিনশেড তৈরী করা হয়। প্রতিটি শেড তৈরীতে সরকারীভাবে খরচ করা হয় ২০ হাজার টাকা। এসব শেডে খামারজাত, কেঁচো কম্পোস্ট ও কম্পোস্ট সার উৎপাদন হচ্ছে। উৎপাদিত সারে চাষ হচ্ছে সবজি, ঔষধি, ফল ও মসলা।
কামারগাঁও গ্রামের মো. তারেক মিয়ার বাড়িতে গেলে দেখা যায় আঙ্গিনায় বিটরুট, বেগুন, লাউ, লেটুস পাতা, পেয়ারা, পেঁয়াজ, আদা, হলুদ, ড্রাগন, স্ট্রবেরি, পেঁপে, জলপাই, অ্যালোভেরা, স্কোয়াশ, ব্রোকলি, বিলাতি ধনিয়া পাতা, দেশী ধনিয়া, ওলকপি, রঙিন ফুলকপি, ক্যাপসিকাম, কাঁচামরিচ, আলু, টমেটো, বিভিন্ন রকমের শাকসহ অন্যান্য ঔষধি, ফল, সবজি ও মসলার গাছ। এসবের অনেক গাছে ঝুলছে ফসল।
কৃষক মো. তারেক মিয়া বলেন- উপজেলার দ্বিমুড়া কৃষি ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি অফিসার শামিমুল হক শামীম আমাকে বাড়ি এসে পরামর্শ দেন পতিত জমি আবাদ করে ফসল চাষ করার জন্য। আমি এ পরামর্শ গ্রহণ করে ঘরের সামনে প্রায় ১০ শতক জমি আবাদ করি। তিনি আমাকে কৃষি অফিস থেকে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সিলেট অঞ্চলের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রযুক্তি গ্রাম কর্মসূচি এসে দেন। এ প্রকল্পের মাধ্যমে আমাকে ২০ হাজার টাকায় একটি টিনশেড ঘর তৈরী করে দেওয়া হয়। দেওয়া হয় বীজসহ নানা উপকরণ। পাশাপাশি আমিও প্রায় ৫ হাজার টাকা খরচ করে সবজি, মসলা, ঔষধি ও ফলের বাগান তৈরী করি। বর্তমানে এখানে উৎপাদিত ফসল নিজেদের চাহিদা পূরণ করে আত্মীয় ও পরিচিতদের দিতে পারছি।
তিনি বলেন- এখানে উৎপাদিত ফসলে বিষ প্রয়োগ করা প্রয়োজন হয়। শেডে উৎপাদিত সারে চমৎকার ফসল হচ্ছে। ফসলের পোকা দমনে ব্যবহার করছি ফেরোমন ও হলুদ ফাঁদ। একই কথা বলেন কচুয়াদি গ্রামের রিপন মিয়া, ইব্রাহিম মিয়া, সিরাজ মিয়া, কুতুব উদ্দিন। তাদের সফলতা দেখে এলাকার অন্যান্য কৃষকরাও আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সিলেট অঞ্চলের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রযুক্তি গ্রাম কর্মসূচি পেয়ে নিজেদের পতিত জমি আবাদ করে সবজি, ঔষধি, মসলা ও ফল বাগান গড়ে তুলতে আগ্রহী হয়েছেন।
উপজেলার দ্বিমুড়া কৃষি ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি অফিসার শামিমুল হক শামীম বলেন- আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সিলেট অঞ্চলের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রযুক্তি গ্রাম কর্মসূচি চালু হওয়ায় কৃষকরা পতিত জমি আবাদ করে নানা ফসল চাষ করে লাভবান হচ্ছেন। এখানে সফলতার প্রমাণ দেখিয়েছেন উপজেলার কামারগাঁও গ্রামের কৃষক মো. তারেক মিয়া ও কচুয়াদি গ্রামের কৃষক রিপন মিয়া, ইব্রাহিম মিয়া, সিরাজ মিয়া ও কুতুব উদ্দিনরা। এ প্রকল্পের মেয়াদ পাঁচ বছর। মেয়াদ শেষ হলেও কৃষকরা প্রযুক্তি গ্রাম কর্মসূচিতে ঔষধি, মসলা, সবজি ও ফল বাগান থাকবে। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগীতা অব্যাহত রাখা হবে।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ঝিকুট ফাউন্ডেশন এসএসসি জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী সংবর্ধনা সম্পন্ন

পুষ্টি চাহিদা পূরণে প্রযুক্তি গ্রাম কর্মসূচি ভূমিকা রাখছে

Update Time : 12:27:45 am, Wednesday, 19 March 2025

অনলাইন ডেস্ক: বাহুবলে পরিবারের পুষ্টি চাহিদা পূরণে প্রযুক্তি গ্রাম কর্মসূচি বিরাট ভূমিকা রাখছে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে জেলার বাহুবল উপজেলার কামারগাঁও ও কচুয়াদি গ্রামে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সিলেট অঞ্চলের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রযুক্তি গ্রাম কর্মসূচি চালু হয়।
এরমধ্যে কামারগাঁও গ্রামের মো. তারেক মিয়া ও কচুয়াদি গ্রামের রিপন মিয়া, ইব্রাহিম মিয়া, সিরাজ মিয়া, কুতুব উদ্দিনের বাড়ির আঙ্গিনায় উপজেলার কৃষি অফিসের মাধ্যমে প্রথমে টিনশেড তৈরী করা হয়। প্রতিটি শেড তৈরীতে সরকারীভাবে খরচ করা হয় ২০ হাজার টাকা। এসব শেডে খামারজাত, কেঁচো কম্পোস্ট ও কম্পোস্ট সার উৎপাদন হচ্ছে। উৎপাদিত সারে চাষ হচ্ছে সবজি, ঔষধি, ফল ও মসলা।
কামারগাঁও গ্রামের মো. তারেক মিয়ার বাড়িতে গেলে দেখা যায় আঙ্গিনায় বিটরুট, বেগুন, লাউ, লেটুস পাতা, পেয়ারা, পেঁয়াজ, আদা, হলুদ, ড্রাগন, স্ট্রবেরি, পেঁপে, জলপাই, অ্যালোভেরা, স্কোয়াশ, ব্রোকলি, বিলাতি ধনিয়া পাতা, দেশী ধনিয়া, ওলকপি, রঙিন ফুলকপি, ক্যাপসিকাম, কাঁচামরিচ, আলু, টমেটো, বিভিন্ন রকমের শাকসহ অন্যান্য ঔষধি, ফল, সবজি ও মসলার গাছ। এসবের অনেক গাছে ঝুলছে ফসল।
কৃষক মো. তারেক মিয়া বলেন- উপজেলার দ্বিমুড়া কৃষি ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি অফিসার শামিমুল হক শামীম আমাকে বাড়ি এসে পরামর্শ দেন পতিত জমি আবাদ করে ফসল চাষ করার জন্য। আমি এ পরামর্শ গ্রহণ করে ঘরের সামনে প্রায় ১০ শতক জমি আবাদ করি। তিনি আমাকে কৃষি অফিস থেকে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সিলেট অঞ্চলের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রযুক্তি গ্রাম কর্মসূচি এসে দেন। এ প্রকল্পের মাধ্যমে আমাকে ২০ হাজার টাকায় একটি টিনশেড ঘর তৈরী করে দেওয়া হয়। দেওয়া হয় বীজসহ নানা উপকরণ। পাশাপাশি আমিও প্রায় ৫ হাজার টাকা খরচ করে সবজি, মসলা, ঔষধি ও ফলের বাগান তৈরী করি। বর্তমানে এখানে উৎপাদিত ফসল নিজেদের চাহিদা পূরণ করে আত্মীয় ও পরিচিতদের দিতে পারছি।
তিনি বলেন- এখানে উৎপাদিত ফসলে বিষ প্রয়োগ করা প্রয়োজন হয়। শেডে উৎপাদিত সারে চমৎকার ফসল হচ্ছে। ফসলের পোকা দমনে ব্যবহার করছি ফেরোমন ও হলুদ ফাঁদ। একই কথা বলেন কচুয়াদি গ্রামের রিপন মিয়া, ইব্রাহিম মিয়া, সিরাজ মিয়া, কুতুব উদ্দিন। তাদের সফলতা দেখে এলাকার অন্যান্য কৃষকরাও আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সিলেট অঞ্চলের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রযুক্তি গ্রাম কর্মসূচি পেয়ে নিজেদের পতিত জমি আবাদ করে সবজি, ঔষধি, মসলা ও ফল বাগান গড়ে তুলতে আগ্রহী হয়েছেন।
উপজেলার দ্বিমুড়া কৃষি ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি অফিসার শামিমুল হক শামীম বলেন- আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সিলেট অঞ্চলের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রযুক্তি গ্রাম কর্মসূচি চালু হওয়ায় কৃষকরা পতিত জমি আবাদ করে নানা ফসল চাষ করে লাভবান হচ্ছেন। এখানে সফলতার প্রমাণ দেখিয়েছেন উপজেলার কামারগাঁও গ্রামের কৃষক মো. তারেক মিয়া ও কচুয়াদি গ্রামের কৃষক রিপন মিয়া, ইব্রাহিম মিয়া, সিরাজ মিয়া ও কুতুব উদ্দিনরা। এ প্রকল্পের মেয়াদ পাঁচ বছর। মেয়াদ শেষ হলেও কৃষকরা প্রযুক্তি গ্রাম কর্মসূচিতে ঔষধি, মসলা, সবজি ও ফল বাগান থাকবে। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগীতা অব্যাহত রাখা হবে।